Thursday, April 30, 2009

# ড. আতিউর রহমান : এক অসহায় রাখাল থেকে বরেণ্য অর্থনীতিবিদ কাম গভর্ণর


ড. আতিউর রহমান : এক অসহায় রাখাল থেকে বরেণ্য অর্থনীতিবিদ কাম গভর্ণর
রণদীপম বসু
...
[ আমার চমৎকার বন্ধুটির নামও আতাউর রহমান। একটা বেসরকারি ফার্মের পদস্থ কর্মকর্তা। অফিস শেষে বেরিয়েই তাঁর সাথে দেখা। ব্যাগ থেকে দু’পাতার একটা প্রিন্টেড লেখা বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘দাদা, আমার এক বন্ধু কোন্ পত্রিকায় যেন এই আর্টিক্যালটা পড়ে একেবারে অভিভূত হয়ে ই-মেইল করলো আমাকে। চাইলে আপনাকে এটা ফরোয়ার্ড করে দেবো কাল।’ রাজিব আহমেদ-এর ‘আতিউর রহমান : রাখাল থেকে অর্থনীতিবিদ’ শিরোনামের লেখাটা মূলতঃ আমাদের বরেণ্য অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজ বয়ানে উদ্ধৃত এক অবিশ্বাস্য জীবন-সংগ্রামের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ! অনেকেই হয়তো তা অবগত। কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই, তাঁর এই মন কেমন করা ব্যক্তিজীবন আমার কাছে সম্পূর্ণ অজানাই ছিলো ! লেখাটি রুদ্ধশ্বাসে পড়তে পড়তে বুকের ভেতরে কোথায় যেন কোন্ পাড় ভাঙার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম ! সত্যি অবিশ্বাস্য ! এবং শেষ লাইনটা অতিক্রম করেই টের পেলাম, চোখের কোণের আর্দ্রতা কখন যে গড়াতে শুরু করেছে ! ইচ্ছে হলো, ইশ্ , তাঁর পা ছুঁয়ে যদি একটিবার সালাম করতে পারতাম ! মনটা ঠিকই চলে গেলো সেই অভীষ্ঠের দিকে।
আমার এ অনুভূতি হয়তো একান্তই আমার। তবু সবার সাথে এই অনুভব শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না। হুবহু এই আর্টিক্যালটাই কম্পোজ করে তুলে দিলাম নিচে। ]

Tuesday, April 28, 2009

# [ছোটদের গল্প] ....টিপলু


...টিপলু
রণদীপম বসু
...
টিপলুদের ইস্কুলের শাহরিয়ার স্যার বড় মজার মানুষ। প্রাইমারি ক্লাশে তিনি ইংরেজি পড়ালেও আরো কতো কতো বিষয় নিয়ে যে মজা করেন ! একদিন ক্লাশে ঢুকেই ব্ল্যাকবোর্ডে কয়েক টানে দুটো মানচিত্র এঁকেই বললেন- বলো তো, এ দুটো কোন্ কোন্ দেশের মানচিত্র ?
একযোগে সবাই হৈ হৈ করে ওঠলো- এইটা বাংলাদেশ !
আর ওইটা ?
গোটা ক্লাশ নিশ্চুপ। কেউ বলতে পারছে না। স্যার নিজেই বলে দিলেন- এটা হচ্ছে ইটালী। ইটালীর তৈরি জুতো পৃথিবী বিখ্যাত। দেখেছো, দেখতে অনেকটা জুতোর তলার মতো মনে হচ্ছে না !
সবাই যার যার পা ওল্টে জুতোর তলা পরীক্ষা করতে লেগে গেলো। সেদিন থেকে টিপলুরা ইটালীর মানচিত্র চিনতে আর ভুল করে না।

Wednesday, April 22, 2009

# [অনুগল্প] --- এই রিমি, দাঁড়া...!


এই রিমি, দাঁড়া...!
রণদীপম বসু
...
ধাম করে জড়িয়ে ধরলো সে। এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই নরোম ঠোঁট দুটো সজোরে চেপে ধরলো আমার খসখসে গালে। একটা মৌ মৌ গন্ধে কয়েক মুহূর্ত কেটে গেলো। যখন বুঝতে শুরু করলাম একটি সদ্য তরুণী-দেহ তার সমগ্র সত্তা দিয়ে অক্টোপাশ-বন্ধনে আমাকে আস্টেপৃষ্ঠে পিশে ফেলতে চাইছে, কী যেন হয়ে গেলো আমার ! এই প্রথম টের পেলাম, শক্ত-সমত্থ তরুণ শরীরটাতে বুঝি মনের আড়ালে মিশে লুকিয়ে ছিলো একটা বেয়াড়া পুরুষও ! কিন্তু তার আগেই ঝট করে ছেড়ে দিয়ে দু’পা পিছিয়ে দাঁড়ালো সে, জোড়া দীঘির মতো টলটলে চোখ দুটো মেলে কীরকম চেয়ে রইলো আমার দিকে ! চিকচিক করলো কি ? আচমকা ঘুরেই দৌড়াতে লাগলো !
আরে আরে করে কী ! কেবল তো এলো ! এখনই চলে যাচ্ছে কেন ! ওর সাথে আর কি দেখা হবে আমার ! কণ্ঠ চিরে অজান্তেই বেরিয়ে এলো- এই রিমি, দাঁড়া...!