.jpg)
যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর...(০৫)
তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল,১৯৯৩)
। দিল-এ মীর দিলবরোঁসে চাহা করে হ্যয় কেয়া কেয়া
কুছ ইনত্হা নহীঁ হ্যয় আশিক কী আরজ কো।
“প্রেমাস্পদের কাছ থেকে হৃদয় কত কী-ই যে চায় !
প্রেমিকের প্রার্থণার কোনো অন্ত নেই।”
- মীর তকী মীর –
প্রায় পৌনে তিনশ বছর আগে লিখে যাওয়া মীরের উর্দু শায়ের এখনও কী ভীষণ সত্যি হয়ে আছে ভাবি। হাজার বছরের বিবর্তনে মানুষ আমূল পাল্টে গেলেও অন্তরের ভেতরগত অনুভূতি যে সেই একই আদি এবং অকৃত্রিম রয়ে গেছে, আপন উপলব্ধির কষ্টিপাথরে যাচাই করে শুধু অবাকই হচ্ছি না রূপা ; নিশ্চিতভাবে বিশ্বাসও করি হাজার বছর পরেও প্রেমিক তার প্রেয়সীকে এমনই পাগলের মতো কামনা করবে, যেভাবে আমি তোমাকে চাই ! রূপা, তুমি বিশ্বাস করো কি না জানি না, কারণ আমাকে কখনও জানতেও দাওনি তুমি। আমার এ জন্মান্ধ চোখে তোমাকে কতটুকু দেখতে পারি জানি না, তবুও চোখ দুটো ক্ষয়ে ফেলতে পারি দেখে দেখে শুধু তোমাকে তোমাকে এবং তোমাকে !
চলবে...
আগের পর্ব (০৪):
পরের পর্ব (০৬):
R_d_B
No comments:
Post a Comment