‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।’ -- প্রাচীন গ্রীক কবি ইউরিপিডিস (৪৮০-৪০৬ খ্রীঃ পূঃ)
Showing posts with label Juvenile story. Show all posts
Showing posts with label Juvenile story. Show all posts
Thursday, March 29, 2012
| ছোটদের গল্প… | হাওয়াই মিঠাই |
.
| ছোটদের গল্প… | হাওয়াই মিঠাই |
-রণদীপম বসু
…
-রণদীপম বসু
…
সপাং
করে পিঠের ওপর জালিবেতের তীব্র বাড়িটা পড়তেই শার্টের নিচে চামড়াটা যেন
ঝলসে উঠলো অপুর ! অবিশ্বাস্য চোখে রহমান স্যারের এমন ভয়ঙ্কর মূর্তি দেখে
শিউড়ে ওঠলো সে। বড় বড় চোখ দুটো ডিমের মতো ঠেলে বেরিয়ে আসছে তার ! চতুর্থ
শ্রেণীর কাস টিচার রহমান স্যারের এমন উগ্র রূপ আগে কি কখনো দেখেছে সে !
কিছুতেই মনে করতে পারলো না।
Monday, October 19, 2009
[ছোটদের গল্প...| অর্ক’র চোখ ]
| অর্ক’র চোখ |
রণদীপম বসু
...
ঘটনার শুরু কিন্তু গতকাল পঞ্চম শ্রেণীর অংকের ক্লাস থেকে। একেবারে ভিন্নভাবে। সব ছাত্রের মনোযোগ যখন অংক স্যারের দিকে, অর্ক’র দৃষ্টিটা বারবার মাথার উপরে ভন্ভন্ করে ঘুরতে থাকা ফ্যানটাতে গিয়ে আটকে যাচ্ছে। অংক স্যারও এই অমনোযোগী ছাত্রের ব্যাপারটা খেয়াল করেই ডাক দিলেন- এই ছেলে, দাঁড়াও !
থতমত খেয়ে দাঁড়ালো সে।
তোমার কী সমস্যা বলো তো ? ওখানে কী দেখছো ?
একটু ইতস্তত করে বললো- স্যার, সাপ।
সাপ ! কোথায় ?- স্যারের কণ্ঠে বিস্ময়।
অর্ক তর্জনীটা ফ্যানের দিকে তাক করে ধরলো- ওইখানে।
Tuesday, April 28, 2009
# [ছোটদের গল্প] ....টিপলু

...টিপলু
রণদীপম বসু
...
টিপলুদের ইস্কুলের শাহরিয়ার স্যার বড় মজার মানুষ। প্রাইমারি ক্লাশে তিনি ইংরেজি পড়ালেও আরো কতো কতো বিষয় নিয়ে যে মজা করেন ! একদিন ক্লাশে ঢুকেই ব্ল্যাকবোর্ডে কয়েক টানে দুটো মানচিত্র এঁকেই বললেন- বলো তো, এ দুটো কোন্ কোন্ দেশের মানচিত্র ?
একযোগে সবাই হৈ হৈ করে ওঠলো- এইটা বাংলাদেশ !
আর ওইটা ?
গোটা ক্লাশ নিশ্চুপ। কেউ বলতে পারছে না। স্যার নিজেই বলে দিলেন- এটা হচ্ছে ইটালী। ইটালীর তৈরি জুতো পৃথিবী বিখ্যাত। দেখেছো, দেখতে অনেকটা জুতোর তলার মতো মনে হচ্ছে না !
সবাই যার যার পা ওল্টে জুতোর তলা পরীক্ষা করতে লেগে গেলো। সেদিন থেকে টিপলুরা ইটালীর মানচিত্র চিনতে আর ভুল করে না।Tuesday, February 10, 2009
# মেধাবী ছেলে..

মেধাবী ছেলে..
রণদীপম বসু
...
বাপীর সাথে বইমেলা থেকে কিনে আনা মজার মজার বইগুলো পড়ে প্রান্তু ঠিকই জেনে গেছে লেখাপড়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য খেলাধূলাও করতে হবে নিয়মিত। তাই ইস্কুল ছুটির পরই ইস্কুলভ্যানটা না আসা পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে কটকটে রোদের মধ্যেই অন্য সহপাঠিদের সাথে দৌঁড়ঝাপ করতে শুরু করে। তা করতে গিয়ে মাঠের মধ্যে কখনো চিৎ হয়ে কখনো কাৎ হয়ে কখনো বা উপুড় হয়ে আছড়ে পড়ে। ইউনিফরমটা ধুলোতে মাটিতে একাকার হয়ে ময়লা দাগ বসে যায়। তাতে যে প্রান্তুর কোন দোষই নেই মামণিটা তা কিছুতেই বুঝতে চায় না। মেধাবী ছেলেরা কি আর এমনি এমনি মাটিতে গড়াগড়ি খায় ? বাসায় এলেই মামণির এই গজরগজর এক্কেবারেই অপছন্দ তার।
Subscribe to:
Posts (Atom)


