Tuesday, August 23, 2011

“লিনাক্স ডে – ২০১১” – বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন।

 .
আপনি কি লিনাক্স ভালোবাসেন ? অথবা লিনাক্স সম্পর্কে জানতে আগ্রহী ? আপনি ভাইরাসের সাথে সহবাসী না কি দূরবাসী হতে চান ? কিংবা, কেন আপনি লিনাক্স ব্যবহার করবেন না, এটুকু জানার সে কৌতুহল কি নিবৃত হয়েছে ? তা সফলভাবে নিবারণ করতে হলেও চলে আসুন নিম্নে ঘোষিত অনুষ্ঠান আয়োজনে ! হাঁ বা না, এমন সিদ্ধান্তে আসতে হলেও জেনে নিতে হয় আগে। এক্ষেত্রে অন্তত এটা বলতে পারি, ঠকবেন না ! বোনাস হিসেবে চমৎকার কিছু বন্ধুও পেয়ে যেতে পারেন ! তবে প্রতিটা রসের আগেই কিছুটা কষ থাকে। যেমন নিচের এই রসকষহীন ঘোষণাটা !

| লেখক-সম্ভ্রম বনাম লেখক-সম্মানী |


| লেখক-সম্ভ্রম বনাম লেখক-সম্মানী |
-রণদীপম বসু

(১)
বাটনে চাপ দিতেই মোবাইলের ওপাশ থেকে নারী-কণ্ঠের রিনিঝিনি বেজে ওঠলো- দাদা কেমন আছেন ?
জী ভালো। আপনি কেমন আছেন ?
জী আমিও ভালো। তো দাদা, আপনাকে রিং করেছি একটা প্রয়োজনে !
বলেন ?
আপনাকে একটা বিলের চেক পাঠাতে চাচ্ছি।
ও আচ্ছা ! পোস্টাল এড্রোস চাচ্ছেন ?
জী।
লেখেন………..।
চেকটা পেলে কাইন্ডলি একটু জানাবেন দাদা।
ঠিক আছে।

Friday, August 12, 2011

| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ…| শেষপর্ব-০৩/৩ |


| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ…| শেষপর্ব-০৩/৩ |
-রণদীপম বসু
[প্রথমদ্বিতীয় পর্বের পর...]
মনুশাস্ত্রে স্ত্রীর কর্তব্য
বিবাহ নামক নারী-সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত যে নারীটিকে শাস্ত্রবিধি অনুযায়ী পুরুষের ব্যক্তি-মালিকানায় রক্ষিতা বানানো হয়েছে, সেই নারীকে বহুমাত্রিক ভোগ-ব্যবহারের মাধ্যমে পূর্ণতৃপ্তি বা সন্তোষ না পেলে পুরুষতন্ত্রের সার্থকতা থাকে না। বর্ণ-নির্বিশেষে নারী সামাজিকভাবে শূদ্রধর্মীতার কারণেই শ্রম বা উৎপাদন-যন্ত্রবিশেষ, পুরুষের উপভোগ্য দেহধারণের কারণে নারী ভোগ্যসামগ্রি এবং গর্ভধারণকারী প্রজননযন্ত্রের কারণে নারী সন্তান উৎপাদনকারী জৈবযন্ত্র ইত্যাদি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তাই এধরনের যাবতীয় প্রয়োজনের নিরীখে নারী যাতে কিছুতেই অব্যবহার্য না থাকে সে লক্ষ্যে মনুশাস্ত্র সদাসতর্ক থেকেছে সবসময়-

| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ…| পর্ব-০২/৩ |


| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ…| পর্ব-০২/৩ |
-রণদীপম বসু

[ অখণ্ড পোস্ট এখানে পিডিএফ : নারী ও প্রগতি, জুলাই-ডিসেম্বর ২০১০ দ্বাদশ সংখ্যা ]
[ প্রথম পর্বের পর...]

মনুসংহিতায় নারী
এক কথায় বলতে হলে, মনুশাস্ত্রে নারী হচ্ছে পুরুষের ইচ্ছাধীন কর্ষণযোগ্য ক্ষেত্র বা জৈবযন্ত্র, যাতে পুরুষপ্রভু তার বীর্যরূপ বীজ বপন করে পুত্ররূপ শস্য হিসেবে যোগ্য উত্তরাধিকারী উৎপাদনের মাধ্যমে ধর্মরূপ পুরুষতন্ত্রের বহমান ধারাটিকে সচল রাখতে সচেষ্ট রয়েছে। এখানে নারী কেবলই এক পুরুষোপভোগ্য জৈবসত্তা। নারীর মনস্তত্ত্ব বা কোনরূপ মানসিক সত্তাকে মনুশান্ত্রে স্বীকারই করা হয়নি। নারীর দেহসত্তাটিরই প্রাধান্য এখানে, যার মালিকানাও নারীর নিজের নয় অবশ্যই। এর মালিকানা শুধুই আধিপত্যকামী পুরুষ প্রভুর। পুরুষতন্ত্র তার ইচ্ছানুরূপ শারীরিক-মানসিক ভোগ-লিপ্সা চরিতার্থ করতে, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি ও সত্ত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত রাখতে এবং তার নিরঙ্কুশ আধিপত্যবাদ কায়েম রাখতে যখন যা করার প্রয়োজন মনে করেছে, ধর্মশাস্ত্রের নাম দিয়ে মনুশাস্ত্রে তার সবই প্রয়োগ করা হয়েছে। কোন কিছুরই বাদ রাখা হয়নি। সর্বক্ষেত্রেই নিজেদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় আইন ও অনুশাসন সৃষ্টির মাধ্যমে নারীকে বাধ্য করেছে সম্পূর্ণ পদানত রাখতে। এমনকি নারীভোগকে আরো উপভোগ্য করে নিংড়ে নেয়ার প্রয়োজনে নারীর মনস্তাত্ত্বিক যে বিমূর্ত জগত যেখানে আইনের শাসনও পৌঁছাতে পারে না, সেখানেও আধিপত্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও ফাঁপা প্রশংসা বা কল্পিত গুণ-গান করে তাকে সুযোগমতো প্রতারণা করতেও দ্বিধা করা হয় নি।

| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ… | পর্ব-০১/৩ |

| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ… | পর্ব-০১/৩ |
-রণদীপম বসু

[ অখণ্ড পোস্ট এখানে পিডিএফ : নারী ও প্রগতি, জুলাই-ডিসেম্বর ২০১০ দ্বাদশ সংখ্যা ]
...
এটা কোন কথার কথা নয়
মানব সভ্যতার ইতিহাস আসলে ধর্মেরই ইতিহাস। সম্ভবত কথাটা বলেছিলেন দার্শনিক ম্যাক্স মুলার, যিনি প্রাচীন ভারতীয় দর্শন (Indian Philosophy) তথা বৈদিক সাহিত্য বা সংস্কৃতিরও একজন অনুসন্ধিৎসু বিদ্বান হিসেবে খ্যাতিমান। তবে যে-ই বলে থাকুন না কেন, সভ্যতার এক দুর্দান্ত বিন্দুতে দাঁড়িয়েও উক্তিটির রেশ এখনো যেভাবে আমাদের সমাজ সংস্কৃতি ও জীবনাচরণের রন্ধ্রে রন্ধ্রে খুব দৃশ্যমানভাবেই বহমান, তাতে করে এর সত্যতা একবিন্দুও হ্রাস পায় নি। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে তা অনেক বেশিই প্রকট। কেননা বর্তমান বিশ্বে এমন কোন সভ্যতার উন্মেষ এখনো ঘটেনি যেখানে মানুষের জন্ম মৃত্যু বিবাহ উৎসব উদযাপন তথা প্রাত্যহিক জীবনাচরণের একান্ত খণ্ড খণ্ড মুহূর্তগুলো কোন না কোন ধর্মীয় কাঠামো বা অনুশাসনের বাইরে সংঘটিত হবার নিরপেক্ষ কোন সুযোগ পেয়েছে আদৌ। ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, গোষ্ঠির সাথে গোষ্ঠির, সমাজের সাথে সমাজের ইত্যাদি পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতগুলো এখনো ধর্মকেন্দ্রিকতার বাইরে একচুলও ভূমিকা রাখতে পারে নি বলেই মনে হয়। এমন কি মানুষ হিসেবে আমাদের ব্যক্তি বা সামাজিক পরিচয়ের অন্তঃস্থ চলকগুলোও নিরেট ধর্মীয় পরিচয়েই মোড়ানো।

Saturday, August 6, 2011

| জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি, কাঁঠালের আমসত্ত্ব !

| জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি, কাঁঠালের আমসত্ত্ব !
-রণদীপম বসু
 …
জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি প্রসঙ্গে
সম্প্রতি সরকার থেকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১’ এর (National Women Policy-2011) যে প্রস্তাবনা প্রকাশ করা হয়েছে তার বিপক্ষে কোন কোন ধর্মীয় সংগঠন থেকে পত্র-পত্রিকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হতে দেখলাম আমরা। এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রিয়া বাস্তবে এতোটাই উগ্র রূপ নিতে গেলো যে, এই প্রস্তাবিত নারী নীতির সাথে প্রচলিত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সংঘাতময় প্রোপটটি আসলে কোথায়, সচেতন নাগরিক হিসেবে তা খুঁজে দেখার কৌতুহল এড়ানোর উপায় নেই।

Thursday, August 4, 2011

| এটাই কি রমজানের পবিত্রতা রক্ষা !


| এটাই কি রমজানের পবিত্রতা রক্ষা !
-রণদীপম বসু

রমজান (ramadan) মাসে আমাদের দেশে অফিস-আদালতগুলোতে লাঞ্চ-বিরতি হয় না। সে কারণে অফিসের নিজস্ব ক্যান্টিনগুলোও বন্ধ থাকে এই এক মাস। তাতে অবশ্য অমুসলিমদের জন্য খুব একটা সমস্যা হয় না এজন্যে যে, দুপুরের খাবারটা সাথে নিয়ে আসতে পারেন তাঁরা। নামাজের বিরতির সময়টাতে নিরিবিলি লাঞ্চটা সেরে নিতে পারেন। এতে অফিসের কোন আপত্তি থাকে না, বরং অন্য যে-কোন সময়ের চেয়ে অমুসলিমদের প্রতি অফিস সহকর্মিদের সহানুভূতি একটু বেশিই লক্ষ্য করা যায় তখন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই এটা একটা শুভ লক্ষণ।