Showing posts with label buddhism. Show all posts
Showing posts with label buddhism. Show all posts

Friday, November 11, 2011

| বৌদ্ধদর্শন| পর্ব-৬/৪| সর্বাস্তিবাদ: সৌত্রান্তিক ও বৈভাষিক মত|


| বৌদ্ধদর্শন| পর্ব-৬/৪| সর্বাস্তিবাদ: সৌত্রান্তিক ও বৈভাষিক মত |
-রণদীপম বসু
…
(…আগের পর্বের পর)
…
৫.৩ : সর্বাস্তিবাদী বৌদ্ধ দর্শন : সৌত্রান্তিক ও বৈভাষিক মত (Buddhism: Soutrantik-Boibhashik
.

সৌত্রান্তিক ও বৈভাষিক মত হচ্ছে হীনযান বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্তর্গত সর্বাস্তিবাদের দু’টি রূপ। এই দুই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উদ্ভব সর্বাস্তিবাদে এবং উভয়ের প্রাচীন নাম ছিলো সর্বাস্তিবাদ, যাঁরা হীনযান বৌদ্ধের আঠারোটি প্রাচীন সম্প্রদায়ের অন্যতম। বুদ্ধের পরিনির্বাণের (৪৮৩ খ্রীষ্টপূর্ব) পরবর্তী চার বা পাঁচ শতক ধরে এই সর্বাস্তিবাদ বিকশিত ও পরিপুষ্ট হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়। ‘সর্বাস্তি’ নামের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে ‘সবকিছু আছে’, মানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত বা অনাগত এই তিন কালেই সমস্ত কিছু বিদ্যমান এরূপ ধারণা। সর্বাস্তিবাদ সম্প্রদায়টি বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারতে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে প্রভাব বিস্তার করেছিলো।

| বৌদ্ধদর্শন| পর্ব-৬/৩| যোগাচার বৌদ্ধদর্শন: বিজ্ঞানবাদ|


| বৌদ্ধদর্শন | পর্ব-৬/৩ | যোগাচার বৌদ্ধদর্শন : বিজ্ঞানবাদ |
-রণদীপম বসু
…
(…আগের পর্বের পর)
…
৫.২ : যোগাচার বৌদ্ধদর্শন : বিজ্ঞানবাদ
.

মহাযান বৌদ্ধধর্মের আরেকটি প্রধান সম্প্রদায় হচ্ছে যোগাচার (yogachara) বা বিজ্ঞানবাদ ভাববাদী সম্প্রদায় (idealistic school)। এই সম্প্রদায় থেরাবাদী বৌদ্ধধর্মের পূর্ণ বস্তুবাদ (realism) এবং মাধ্যমিক সম্প্রদায়ের ব্যবহারিক বস্তুবাদকে প্রত্যাখ্যান করে এক অধিক জটিল অবস্থা স্বীকার করে। এই মতানুসারে, মানুষ যা প্রত্যক্ষ করে তার অস্তিত্ব নেই, বিষয় জ্ঞান হতে অভিন্ন এবং জ্ঞানভেদে বাসনাবৈচিত্র্য হচ্ছে কারণ। খ্রিষ্টিয় চতুর্থ শতকে এই মতের উত্থান।

| বৌদ্ধদর্শন| পর্ব-৬/২| মাধ্যমিক বৌদ্ধ দর্শন: শূন্যবাদ|

| বৌদ্ধদর্শন | পর্ব-৬/২ | মাধ্যমিক বৌদ্ধ দর্শন : শূন্যবাদ |
-রণদীপম বসু
…
(…আগের পর্বের পর)
…
৫.১ : মাধ্যমিক বৌদ্ধ দর্শন : শূন্যবাদ (Madhyamik Buddhism Shunyabad)
.
মহাযান বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এই মাধ্যমিক মত সর্বাস্তিবাদীর বস্তুবাদ (realism) এবং যোগাচার সম্প্রদায়ের ভাববাদের (idealism) মধ্যবর্তী। এটাও হয়তো মাধ্যমিক নামকরণের অন্যতম কারণ। বৌদ্ধ দার্শনিক নাগার্জুন (১৭৫ খ্রী.) মাধ্যমিক মতের প্রতিষ্ঠাতা।

| বৌদ্ধদর্শন | পর্ব-৬/১ | বৌদ্ধ দার্শনিক সম্প্রদায় |

| বৌদ্ধদর্শন | পর্ব-৬/১ | বৌদ্ধ দার্শনিক সম্প্রদায় |
-রণদীপম বসু
…
(…আগের পর্বের পর)
…
৫.০ : বৌদ্ধ দার্শনিক সম্প্রদায় (Schools of Buddhism)
.
খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দিতে সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের উপদেশকে ভিত্তি করে উত্তরপূর্ব ভারতে বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়। শিষ্যদের মধ্যে বুদ্ধ মৌখিকভাবে উপদেশ দিতেন। জীবদ্দশায় তিনি বৌদ্ধসঙ্ঘ স্থাপন করেন। তবে বুদ্ধ নিজে কোন অধিবিদ্যা বা দার্শনিক আলোচনা পছন্দ করতেন না বলে দার্শনিক প্রশ্নের উত্তরে তিনি নীরব থাকতেন। তাঁর এই নীরবতা পরবর্তীকালের বৌদ্ধ দার্শনিকদের মধ্যে অনেক মতভেদের সৃষ্টি করেছিলো। ফলে বৌদ্ধদর্শনে বিভিন্ন দার্শনিক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়েছিলো। ধারণা করা হয় বুদ্ধের জীবদ্দশায় তাঁর অনুগামীদের মধ্যে দার্শনিক প্রশ্নে মতভেদ দেখা দিলেও তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে বুদ্ধের পরিনির্বাণের (৪৮৭ খ্রিষ্টপূর্ব) পর।

| বৌদ্ধদর্শন: পর্ব-০৩| বৌদ্ধমতের দার্শনিক সিদ্ধান্ত |



| বৌদ্ধদর্শন: পর্ব-০৩ | বৌদ্ধমতের দার্শনিক সিদ্ধান্ত |
-রণদীপম বসু
…
(…আগের পর্বের পর)
…
২.০ : বৌদ্ধমতের দার্শনিক সিদ্ধান্ত (Buddhism and Its Philosophy)
.
“অনিত্য, দুঃখ, অনাত্ম” (অঙ্গুত্তরনিকায়: ৩/১/৩৪)- এই একটিমাত্র সূত্রেই বুদ্ধের সমস্ত দর্শন গ্রথিত আছে বলে পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়নের অভিমত।  বুদ্ধমতে অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম এই তিনটি বিষয়ে সম্যক জ্ঞান না থাকাই হচ্ছে অবিদ্যার লক্ষণ। অতএব, বৌদ্ধদর্শনের প্রতিপাদ্য বিষয়ই হলো এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের বিশ্লেষণ। তবে বুদ্ধের মতবাদের দার্শনিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার যে, গৌতম বুদ্ধ কোন অধিবিদ্যা বা আধ্যাত্মবাদের দার্শনিক সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেন নি। তিনি সংসারের ক্লেশকর প্রপঞ্চগুলো থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় হিসেবে কিছু আচারমার্গের নীতিপন্থা প্রচারেই আগ্রহী ছিলেন। তবু তাঁর সমৃদ্ধ ও প্রভাবশালী ধর্মমতের মধ্যে দার্শনিক প্রপঞ্চের যে সন্ধান আমরা পাই তা মূলত বুদ্ধের অনুসারী পরবর্তীকালের মেধাবী দার্শনিকদেরই অবদান। তাঁদের মাধ্যমেই বৌদ্ধদর্শন প্রকৃতপক্ষে দর্শনের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।

|বৌদ্ধদর্শন: পর্ব-০২| বুদ্ধের মতবাদ: চার আর্যসত্য|

| বৌদ্ধদর্শন : পর্ব-০২ | বুদ্ধের মতবাদ : চার আর্যসত্য |
-রণদীপম বসু
…
.
বুদ্ধের মতবাদ (Buddhism)
গৌতম বুদ্ধ কোন চরমপন্থায় বিশ্বাসী ছিলেন না। সর্বাবস্থায় তিনি মধ্যপন্থা অবলম্বনকেই সঠিক মনে করতেন। বোধিপ্রাপ্তির লক্ষ্যে কঠোর তপস্যাকালীন সময়েই এ জ্ঞান তিনি প্রাপ্ত হন এবং মধ্যম মার্গ অনুসরণ করেই বোধিলাভ করেন। তাই বোধিলাভের পরপরই সর্বপ্রথম তিনি ঋষিপত্তন মৃগদাবে (সারনাথ, বেনারস) সেই পাঁচজন ভিক্ষুর অন্বেষণে গিয়েছিলেন তাঁদের শঙ্কা দূর করার লক্ষ্যে, যাঁরা তপস্যাকালীন সময়ে অনশন ভঙ্গকারী গৌতমকে ছেড়ে মনঃক্ষুণ্ন হয়ে চলে গিয়েছিলেন।

| অবস্তুবাদী নিরীশ্বরদর্শন | বৌদ্ধ দর্শন…পর্ব-০১ |

| অবস্তুবাদী নিরীশ্বরদর্শন | বৌদ্ধ দর্শন…পর্ব-০১ |
-রণদীপম বসু
…
বৌদ্ধ দর্শন (The Bauddha Philosophy)
সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের (৫৬৩-৪৮৩ খ্রীষ্ট পূর্ব) প্রচারিত মতবাদ থেকেই বৌদ্ধ দর্শন নামের সূত্রপাত। তবে বুদ্ধের আবির্ভাবের পূর্বে অন্তত দুই শতাব্দি ধরে ভারতীয় দার্শনিক চিন্তাজগতে যে উৎকর্ষ হয়েছিলো তা-ই বৌদ্ধমতের পথ প্রস্তুত করেছিলো। উত্তর বৈদিক যুগের অর্থাৎ উপনিষৎ যুগের অন্তিমভাগে দর্শনচিন্তার উন্মেষ থেকে বুদ্ধের জন্মের পূর্বের ৯০০-৬০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ সময়কালকেই বৌদ্ধমতের পশ্চাদ্ভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবং সাথে সাথে এখানে বলে রাখা ভালো যে, ভারতীয় দর্শনে বৌদ্ধমত যে সমৃদ্ধ ধারার সূচনা করে, তাকে কেন্দ্র করে ভারতে নাগার্জুন, অসঙ্গ, বসুবন্ধু, দিঙনাগ, ধর্মকীর্তি প্রমুখ অতুলনীয় দার্শনিকগণের আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে ভারতীয় দর্শনের উৎকর্ষ অর্জনের পাশাপাশি পরবর্তীকালের প্রায় সমস্ত ভারতীয় দর্শনই তাঁদের দ্বারা ভালোভাবেই প্রভাবিত হয়েছে।

Tuesday, November 8, 2011

| নিরীশ্বরবাদী দর্শন… | অধ্যায়সূচি : বৌদ্ধদর্শন |

| নিরীশ্বরবাদী দর্শন… | অধ্যায়সূচি : বৌদ্ধদর্শন |
-রণদীপম বসু
…
বিষয়সূচি : 

.
০.০ : বৌদ্ধদর্শন (The Bauddha Philosophy) (পর্ব-০১)