Showing posts with label ন্যায় দর্শন. Show all posts
Showing posts with label ন্যায় দর্শন. Show all posts

Saturday, July 7, 2012

| ন্যায়দর্শন…০৮ : ন্যায় পরাতত্ত্ব |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৮ : ন্যায় পরাতত্ত্ব |
রণদীপম বসু

৮.০ : ন্যায় পরাতত্ত্ব
.
৮.১ : জগৎ
ন্যায়মতে জগতের স্বতন্ত্র সত্তা আছে। তাই জাগতিক বস্তুরও স্বতন্ত্র সত্তা আছে, সেগুলো নিছক মনের ধারণা নয়। ফলে এদের অস্তিত্ব জ্ঞানের উপর নির্ভরশীল নয়।

Wednesday, July 4, 2012

| ন্যায়দর্শন…০৭ : শব্দপ্রমাণ |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৭ : শব্দপ্রমাণ |
রণদীপম বসু

৭.০ : শব্দপ্রমাণ (Testimony)
.
ন্যায়দর্শন স্বীকৃত চারটি প্রমাণের মধ্যে চতুর্থ প্রমাণ হলো শব্দপ্রমাণ। শাব্দ জ্ঞানের করণকে বলা হয় ‘শব্দ’। ভারতীয় দর্শনে শব্দপ্রমাণের গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য। ভারতীয় সকল শাস্ত্রই গুরু পরম্পরায় শ্রবণের মাধ্যমে লালিত-পালিত হয়েছে। তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি। ন্যায়দর্শনে প্রত্যক্ষকে প্রধান প্রমাণ বলা হলেও এই দর্শনে শব্দের বিচারও অতি সূক্ষ্ম পর্যায়ের। এ প্রেক্ষিতে জগদীশ, গদাধর প্রমুখ নব্য-নৈয়ায়িক শব্দের উপর স্বতন্ত্র গ্রন্থও রচনা করেছেন।

| ন্যায়দর্শন…০৬ : উপমিতি বা উপমান প্রমাণ |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৬ : উপমিতি বা উপমান প্রমাণ |
রণদীপম বসু

৬.০ : উপমিতি বা উপমান প্রমাণ (Comparison)
.
ন্যায়দর্শনে স্বীকৃত চারটি প্রমাণের মধ্যে তৃতীয় প্রমাণ হলো উপমান। পূর্ব পরিচিত কোন একটি বস্তুর সঙ্গে নতুন ও অপরিচিত কোন বস্তুর সাদৃশ্য লক্ষ্য করে যখন নতুন বস্তুটি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা হয তখন জ্ঞান লাভের এই পদ্ধতিটিকে উপমান বলা হয়। ন্যায়মতে, উপমান হলো সেই প্রমাণ যার দ্বারা কোন ব্যক্তি প্রথমে জানে কোন একটি বিশেষ শব্দ কোন্ বস্তুকে বোঝায়। শব্দ ও শব্দার্থের জ্ঞান অন্য উপায়ের দ্বারাও হয়ে থাকে। কিন্তু ন্যায়মতে, শব্দ ও শব্দার্থের জ্ঞান কখনও কখনও উপমান বা সাদৃশ্য জ্ঞানের দ্বারা হয়ে থাকে। তাই ন্যায়দর্শনে উপমান একটি স্বতন্ত্র প্রমাণরূপে স্বীকৃত।

| ন্যায়দর্শন…০৫ : অনুমিতি বা অনুমান প্রমাণ |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৫ : অনুমিতি বা অনুমান প্রমাণ |
রণদীপম বসু

৫.০ : অনুমিতি (Inferential knowledge) বা অনুমান প্রমাণ (Inference as instrument)
.
ন্যায়মতে যথার্থ জ্ঞান বা প্রমা চারপ্রকার। যথা- প্রত্যক্ষণ, অনুমিতি, উপমিতি ও শাব্দবোধ। সে অনুযায়ী যথার্থ জ্ঞান লাভের স্বীকৃত প্রণালী বা প্রমাণ হলো চারটি- প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান ও শব্দ। অনুমান হলো দ্বিতীয় প্রমাণ।

| ন্যায়দর্শন…০৪ : প্রত্যক্ষণ বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৪ : প্রত্যক্ষণ বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ |
রণদীপম বসু

৪.০ : প্রত্যক্ষ প্রমাণ (Instrument of Perceptual Cognition) বা প্রত্যক্ষণ (Perception)
.
প্রত্যক্ষণ হলো যথার্থ জ্ঞান লাভের প্রণালী। ন্যায় দর্শনে প্রত্যক্ষের স্থান প্রথম ও প্রধান। কারণ প্রত্যক্ষ ভিন্ন কোন প্রমাণই ‘সিদ্ধ’ নয়। এ বিষয়ে সকল দর্শন সম্প্রদায়ই একমত যে প্রত্যক্ষই প্রধান প্রমাণ। আর প্রত্যক্ষপ্রমাণবাদী চার্বাকরা প্রত্যক্ষকেই একমাত্র প্রমাণ বলে স্বীকার করেছেন।
‘প্রত্যক্ষ’ শব্দটি তিনটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রথমত, ‘প্রত্যক্ষ’ শব্দটির দ্বারা ‘প্রত্যক্ষজ্ঞান’-কে বোঝানো হয়। দ্বিতীয়ত, ‘প্রত্যক্ষ’ শব্দটির দ্বারা প্রত্যক্ষজ্ঞানের করণকে (Instrumental cause) বোঝানো হয়। তৃতীয়ত, ‘প্রত্যক্ষ’ শব্দটির দ্বারা প্রত্যক্ষজ্ঞানের বিষয় বা অর্থকে বোঝানো হয়। প্রত্যক্ষের লক্ষণ প্রসঙ্গে এই শব্দটিকে ‘প্রত্যক্ষজ্ঞান’ অর্থেই ব্যবহার করা হয়েছে।

| ন্যায়দর্শন…০৩ : ন্যায়-জ্ঞানতত্ত্ব |

 .
| ন্যায়দর্শন…০৩ : ন্যায়-জ্ঞানতত্ত্ব |
রণদীপম বসু

৩.০ : ন্যায়-জ্ঞানতত্ত্ব
.
ন্যায়দর্শনে বস্তুতত্ত্ব জ্ঞানতত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাই এই দর্শনে জ্ঞানের সংজ্ঞা, জ্ঞানের প্রকারভেদ, যথার্থ জ্ঞান ও অযথার্থ জ্ঞানের প্রকৃতি কী এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কী তা বিস্তৃত আলোচনায় করা হয়।

Tuesday, July 3, 2012

| ন্যায়দর্শন…০২ : ন্যায়মতে ষোড়শ পদার্থ |

 .
| ন্যায়দর্শন…০২ : ন্যায়মতে ষোড়শ পদার্থ |
রণদীপম বসু

২.০ : ন্যায়মতে ষোড়শ পদার্থ
.
ন্যায় দর্শনের উদ্দেশ্য হলো ষোলটি পদার্থের তত্ত্বজ্ঞান প্রদান করা। এই ষোলটি পদার্থ হলো- (১) প্রমাণ, (২) প্রমেয়, (৩) সংশয়, (৪) প্রয়োজন, (৫) দৃষ্টান্ত, (৬) সিদ্ধান্ত, (৭) অবয়ব, (৮) তর্ক, (৯) নির্ণয়, (১০) বাদ, (১১) জল্প, (১২) বিতণ্ডা, (১৩) হেত্বাভাস, (১৪) ছল, (১৫) জাতি, (১৬) নিগ্রহস্থান।

| ন্যায়দর্শন…০১ : ভূমিকা |

 .
| ন্যায়দর্শন…০১ : ভূমিকা |
রণদীপম বসু
১.০ : ভূমিকা
.
ন্যায় দর্শনের উদ্ভব
ভারতীয় আস্তিক ষড়দর্শনের মধ্যে ন্যায়দর্শনের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ন্যায় দর্শনের দুটি শাখা- প্রাচীন ন্যায় ও নব্য ন্যায়। প্রাচীন ন্যায়দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মহর্ষি গোতম। কেউ কেউ বলেন গৌতম। মহর্ষি রচিত ‘ন্যায়সূত্র’ হলো ন্যায়দর্শনের মূল গ্রন্থ। গৌতমের অপর নাম অক্ষপাদ (২৫০ খ্রীঃ)। তাঁর এই নাম অনুসারে ন্যায় দর্শনকে অক্ষপাদ-দর্শনও বলা হয়ে থাকে। অক্ষপাদ গৌতমের ন্যায়শাস্ত্র বুদ্ধিবাদী বা যুক্তিবাদী।

| ভারতীয় ষড়দর্শন-০১ : ন্যায় দর্শন |

 .
| ভারতীয় ষড়দর্শন-০১ : ন্যায় দর্শন |
রণদীপম বসু

ন্যায় দর্শনসূচি